► সর্বশেষ
    |   কলকাতা সংস্করণ  |  ভারত
Breaking সর্বশেষ সংবাদ: রাজ্যে নতুন সরকারি প্রকল্প ঘোষণা   ●   দেশজুড়ে শিক্ষা সংস্কারের উদ্যোগ   ●   বিশ্ব বাজারে তেলের দাম হ্রাস   ●   ক্রিকেটে ভারতের নতুন রেকর্ড

Friday, 16 January 2026

ddd

রানাঘাট থেকে হাড়ভাঙা বুড়িমার মন্দির: ভ্রমণ ও যাতায়াতের সম্পূর্ণ গাইড

ভ্রমণ মানেই নতুন অভিজ্ঞতা। আর সেটা যদি হয় কোনো জাগ্রত দেবীর দর্শনে, তবে তো কথাই নেই! সম্প্রতি আমি রানাঘাট থেকে উত্তর ২৪ পরগণার বিখ্যাত হাড়ভাঙা বুড়িমা মন্দিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। আমার সেই যাত্রাপথের খুঁটিনাটি অভিজ্ঞতা আপনাদের সাথে ভাগ করে নিচ্ছি।


ট্রেন যাত্রা: রানাঘাট থেকে মসলন্দপুর

সকাল সকাল বেরিয়ে পড়াটাই ছিল বুদ্ধিমানের কাজ। আমি রানাঘাট স্টেশন থেকে সকাল ৭:২২-এর বনগাঁ লোকাল ধরলাম। সকালের ফুরফুরে বাতাসে ট্রেনের জানালার ধারের যাত্রাটা বেশ উপভোগ্য ছিল। ঠিক ৭:৫২ মিনিটে আমি বনগাঁ স্টেশনে পৌঁছাই।

বনগাঁ স্টেশনে নেমে একটু অপেক্ষা করতেই শিয়ালদহ যাওয়ার লোকাল ট্রেন পাওয়া গেল। আমি ৮:০৮-এর বনগাঁ-শিয়ালদহ লোকাল ধরলাম এবং গন্তব্য ছিল মসলন্দপুর। ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক ৮:৪৩ মিনিট, যখন আমি মসলন্দপুর রেলওয়ে স্টেশনে নামলাম।

মসলন্দপুর স্টেশন থেকে ঘোষপুর যাত্রা

মসলন্দপুর স্টেশনে নামার পর ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের ঠিক পাশেই রয়েছে ভ্যান স্ট্যান্ড। সেখান থেকেই শুরু হয় আমাদের আসল গন্তব্য—ঘোষপুর। স্টেশন চত্বরে পা রাখতেই কানে আসবে ভ্যানচালকদের সেই পরিচিত সুর ও হাঁকডাক— "হাড়ভাঙা বুড়িমা, হাড়ভাঙা বুড়িমা!"

যাতায়াতের জরুরি তথ্য:
  • যানবাহন: সাইকেল ভ্যান বা মোটর চালিত টলি ভ্যান।
  • ভাড়া: জনপ্রতি মাত্র ১৫ টাকা।
  • সময়: স্টেশন থেকে মন্দির পৌঁছাতে সময় লাগে মাত্র ১০-১২ মিনিট।

সাধারণত ৪-৫ জন যাত্রী পূর্ণ হলেই ভ্যান বা টলি যাত্রা শুরু করে। তবে একটি বিষয় মাথায় রাখা ভালো—যদি যাত্রী সংখ্যা কম থাকে, তবে চালকরা অনেক সময় ৫-১০ টাকা অতিরিক্ত দাবি করতে পারেন। হাতে সময় থাকলে যাত্রী পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাই ভালো, আর তাড়াহুড়ো থাকলে সামান্য কিছু বেশি দিলেই ভ্যান ছেড়ে দেয়।

কেন যাবেন হাড়ভাঙা বুড়িমা মন্দিরে?

গ্রাম্য মেঠো পথ ধরে ভ্যানের দুলুনিতে ঘোষপুর যাওয়ার অভিজ্ঞতা সত্যিই দারুণ। চারপাশের সবুজ পরিবেশ আপনার মন ভালো করে দেবে। যারা আধ্যাত্মিক শান্তি খোঁজেন বা জাগ্রত বুড়িমার মন্দিরে মানত করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার জায়গা।

আপনার কি এই মন্দির নিয়ে কোনো বিশেষ অভিজ্ঞতা আছে? আমাদের কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না!

No comments:

Post a Comment

dd

🚉 ট্রেনযাত্রা: রানাঘাট থেকে গোপালনগর সকালের নরম আলোয় Ranaghat Junction থেকে বনগাঁ লাইনের লোকাল ট্রেনে চেপে বসুন। আপনা...